কুড়িগ্রামের হাটগুলোতে নেই ভারতীয় গরু, দেশি গরুই ভরসা
কুড়িগ্রামের হাটগুলোতে নেই ভারতীয় গরু, দেশি গরুই ভরসা
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে কুড়িগ্রামের গরুর হাটগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। শেষ মুহূর্তের বেচাকেনায় জমে উঠেছে হাট, তবে এবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় গরু না আসায় ঐতিহ্যবাহী হাটগুলো দেশি গরুতেই ভরে উঠেছে। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা, যদিও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় হতাশ বিক্রেতারা।
কুড়িগ্রাম জেলার অন্যতম বড় পশুর হাট চর যাত্রাপুর নৌ-ঘাট হাটে এবার শুধুই দেশীয় গরু ও মহিষের দেখা মিলছে। স্থানীয় গৃহস্থ ও খামারিদের লালন-পালন করা ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের পশুতে ভরে গেছে পুরো হাট।
হাট সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিবছর সীমান্তবর্তী ব্রহ্মপুত্র নদ পেরিয়ে ভারতীয় গরু এ হাটে আসত। কিন্তু সীমান্তে কড়াকড়ি ও নজরদারির কারণে এবার ভারতীয় গরু প্রায় নেই বললেই চলে।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট গরু ৬০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে বড় গরু সর্বোচ্চ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মহিষের চাহিদা তুলনামূলক কম হলেও ছোট ও মাঝারি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি।
গরু কিনতে আসা ক্রেতারা বলছেন, দেশি গরুর সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম তুলনামূলক নাগালের মধ্যে রয়েছে। তবে তীব্র রোদ ও কাদাময় পরিবেশে ভোগান্তিও পোহাতে হচ্ছে।
চর ইয়ুথনেট থেকে গরু বিক্রি করতে আসা মোঃ জহুরুল হক বলেন, ‘হাটে প্রচুর কাদা আর রোদ। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। চরের কাঁচা ঘাস খাইয়ে গরু বড় করেছি। এখন যে দাম বলছে, তাতে লাভ খুব কম।’
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার চর যাত্রাপুর হাটের ইজারাদার মোঃ রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন বলেন, ‘এ বছর হাটে দেশি গরুর সরবরাহ অনেক বেশি। ভারতীয় গরু না থাকায় বাইরের বড় ব্যাপারীরাও কম এসেছে। ফলে স্থানীয় ক্রেতাদের কাছেই তুলনামূলক কম দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।’
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স